online and studentHealth Lifestyle Others 

পড়ুয়াদের মনের উপর চাপ বাড়লে পাশে থাকার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এই অবস্থায় পড়ুয়াদের মনে চাপও বাড়ছে। জীবন এখন পাল্টে গিয়েছে। বাড়িতে বন্দী থাকা অবস্থায় মন খারাপ পড়ুয়াদের। স্কুল ও কলেজের পঠন-পাঠন সবই হচ্ছে অনলাইনে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াও মুশকিল। স্কুলের পড়ুয়াদের কাছে এটা রীতিমতো চ্যালেঞ্জ। এক বছর ধরে স্কুলে যাওয়া সম্ভব হয়নি। শিক্ষক ও বন্ধুদের সঙ্গে অনেকদিন দেখা না হওয়ায় মনের উপর চাপ বেড়েছে। স্কুল খুললেও করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়াতে বিপত্তি। আবারও স্কুল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। আচমকা অনলাইনের ধাক্কায় নাজেহালপড়ুয়া। এইসময় পড়ুয়াদের পড়াশোনার একটা রুটিন তৈরি করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন,পড়ুয়ারা স্কুলে যাওয়ার সময় একটা নির্দিষ্ট রুটিনের মধ্যে দিয়ে যেত। অনলাইন পড়াশোনারও একটি রুটিন রয়েছে। তবে সেটা একটু ভিন্ন। সারা সপ্তাহের একটা রুটিন ও পড়াশোনার কাঠামো তৈরি করে দিতে হবে। ক্লান্ত যাতে না হয় তাও দেখতে হবে। ছোট বাচ্চারা যদি অনলাইনে ঠিকঠাক পড়াশোনা করে এবং তাঁদের হোমওয়ার্ক গুছিয়ে শেষ করে তাহলে তাকে মাঝে মধ্যে ছোট ছোট উপহার দিন। কখনও একটা ভালো সিনেমা একসঙ্গে দেখুন বা চকোলেট উপহার দিন। এতে তাঁর পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে।

এক্ষেত্রে আরও বলা হয়েছে,আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলতে হবে। স্কুলজীবনের অন্যতম বিষয় হল বন্ধুমহল। দীর্ঘ দিন দেখা না হওয়ায় কষ্টও বেড়েছে। ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে মিশে কথা বলে ওদের অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করতে হবে। এই দুঃসময় একদিন চলে যাবে এটা বোঝাতে হবে। আত্মবিশ্বাস বাড়াতে হবে। এক্ষেত্রে পড়াশোনায় আগ্রহ পাবে। কোনও চাপ বাড়াবেন না।পড়ুয়ারা অনেক দিন অনলাইন ক্লাস করে বিরক্তও হচ্ছে। এক্ষেত্রে বাবা – মা হিসেবে বিরক্ত হলে চলবে না। শিক্ষামূলক বিষয় খেলা ও পড়াশোনার জিনিসপত্র তৈরি রাখতে হবে। নানা রকমের শিক্ষামূলক খেলায় অনুপ্রাণিত করলে একঘেয়েমি দূর হবে।
মতামত সহ লাইক ও শেয়ার করবেন।

Related posts

Leave a Comment